ভাইরাল শিক্ষক খান স্যর তাঁর ব্রেন দান করবেন! মস্তিষ্ক দান করা যায়? করলে কী হয়? দেখুন ভিডিও!

বিখ্যাত শিক্ষক খান স্যার তাঁর আকর্ষণীয় এবং অনন্য শিক্ষাদানের ধরণটির জন্য সর্বদা খবরে থাকেন। তিনি সবচেয়ে জটিল বিষয়গুলিও এত সহজে ব্যাখ্যা করেন যে সকলেই মুগ্ধ হন। এই কারণেই তাঁর ক্লাসরুমের ভিডিওগুলি প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এখন, তাঁর আরও একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ছাত্র মজা করে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছে, “স্যার, আপনি এত বুদ্ধিমান, আপনি কি আপনার মস্তিষ্ক দান করবেন?” খান স্যর মস্তিষ্কদানের পুরো ধারণাটি খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, “যদি আমার মস্তিষ্ক অন্য কারওর কাছে প্রতিস্থাপন করা হয়, তাহলে সেই ব্যক্তিও আমি যা করি তাই করবে। তারা ভাববে যে তারা খান।”
এই প্রসঙ্গে মস্তিষ্ক দানের ধারণা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে খান স্যার বলেন যে ‘‘কিডনি বা লিভারের মতো মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপন সম্ভব নয়। যদি কোনও পরিস্থিতিতে আমার মস্তিষ্ক তোমার ভিতরে স্থাপন করা হয়, তাহলে তুমি সম্পূর্ণ আমার মতো হয়ে যাবে। শরীরটা তোমার হতে পারে কিন্তু তুমি আমার মতো সব কাজ করতে শুরু করবে। ভেতর থেকে তুমি ‘খান স্যার’ হয়ে যাবে। তুমি হঠাৎ করেই খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠবে এবং আমার মতো ক্লাস বা মিটিংয়ে যোগ দিতে শুরু করবে। তুমি তোমার পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারবে না। একই সঙ্গে, আমার বাবা-মাকে দেখে তুমি তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুরু করবে। লোকেরা বলতে শুরু করবে যে খান স্যারের ভূত তার ভেতরে প্রবেশ করেছে।’’
আরও পড়ুন : ইনসুলিন গাছ! রোজ জাস্ট ২ টো পাতা! এভাবে খেলেই ব্লাড সুগারের জলাঞ্জলি! সামান্য যত্নে বাড়িতেই বাড়বে তরতরিয়ে

কিডনি এবং লিভারের মতো অঙ্গ দান সম্ভব, কিন্তু মস্তিষ্ক দান নয়। কারণ আমার যাকে মন বলি, বিজ্ঞানের ভাষায় সেটাই মস্তিষ্ক৷ দেহের এই অঙ্গই আমাদের চালনা করে৷ ঠিক করে দেয় আমরা কী ভাবনা চিন্তা করব, কী কথা বলব থেকে শুরু করে প্রতি মুহূর্তে আমাদের প্রতি মুভমেন্ট৷ তাই মস্তিষ্ক পরিবর্তন করা মানে একজন মানুষকেই আমূল পাল্টে দেওয়া৷ গবেষণার জন্য মৃত মানুষের মস্তিষ্ক দান করা যেতে পারে, প্রতিস্থাপনের জন্য নয়৷ কল্পবিজ্ঞানের গল্প বা সিনেমা ছাড়া মস্তিষ্ক প্রতিস্থাপন রূপায়িত করা যায় না৷

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *